মমতার শপথে থাকছেন বুদ্ধদেব ও বিমান বসু
শুক্রবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে চলেছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ও বিমান বসু. বৃহস্পতিবার সিপিএম রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়. বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে বাড়ি গিয়ে আমন্ত্রণ জানান পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷ আমন্ত্রণ জানানো হয়ে বাম শরিক দলের নেতাদেরও.
পরিবর্তনের জেরে প্রত্যাবর্তন. রাজ্য রাজনীতিতে শাসক-বিরোধীদের মধ্যে ফের সৌজন্যের পুরোনো বাতাবরণ ফেরার জোরালো ইঙ্গিত. সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিনন্দন জানিয়ে চিঠি এবং তার পরিবর্তে সোমনাথবাবুর বাড়িতে গিয়ে ভাবী মুখ্যমন্ত্রীর দেখা করার মধ্যে দিয়ে রাজনীতির পুরনো সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ শুরু হয়েছিল. বৃহস্পতিবার আরও একধাপ এগিয়ে সৌজন্যের বিরল নজির গড়ে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের বাড়িতে পাঠান মমতা. শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানাতে. বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি থেকে বেরিয়ে পার্থবাবু জানান, বুদ্ধবাবুর বাড়িতে বেশ কিছুক্ষণ ছিলেন তিনি. শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য সস্ত্রীক বুদ্ধদেব ভট্টচার্যকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন.
![]()
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাতে বামফ্রন্টের শরিক নেতাদের পার্টি অফিসেও যান তৃণমূল নেতারা. এদিন ফরওয়ার্ড ব্লক অফিসে গিয়ে বর্ষীয়ান বাম নেতা অশোক ঘোষকে আমন্ত্রণ জানান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মুকুল রায়. সিপিআইয়ের রাজ্য সম্পাদক মঞ্জুকুমার মজুমদার ও আরএসপির ক্ষিতি গোস্বামীকেও শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানান তিনি৷
‘আমরা-ওরার’ বিভেদ ঘুচিয়ে সৌজন্যের রাজনীতির বাতাবরণ ফেরানোর যে উদ্যোগ সকালে শুরু করেছিলেন, সেই বৃত্ত সম্পূর্ণ হয় রাতে. আবেদনে সাড়া দিয়ে সিপিএম সিদ্ধান্ত নেয় রাজভবনে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, বিমান বসু. দলের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকের পর এ কথা জানান সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম. বেশ কয়েকজন প্রাক্তন মন্ত্রীও উপস্থিত থাকবেন বলে জানানো হয়.
রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, সিপিএম নেতৃত্ব বুঝতে পেরেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে নজিরবিহীনভাবে বাম নেতাদের বাড়িতে, পার্টি অফিসে দলীয় নেতাদের পাঠিয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, তাতে সাড়া না দিলে ভুল বার্তা যেতে পারে. তাই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল. জোটসঙ্গী এসইউসির প্রভাস ঘোষকেও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানান মুকুল রায়
এদিকে, রেলমন্ত্রী পদ থেকে বৃহস্পতিবারই ইস্তফা দেন মমতা. কালীঘাটের অফিস থেকে তিনি ফ্যাক্সবার্তা পাঠিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে৷ রাষ্ট্রপতি মমতার পদত্যাগ পত্র গ্রহণ করেছেন বলে জানা গিয়েছে. রেলমন্ত্রকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরসূরি হচ্ছেন মুকুল রায়. আপাতত তিনি রেলমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন. জাহাজ মন্ত্রকের সঙ্গে রেলমন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব সামলাবেন তিনি. প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফর থেকে ফিরলে, তাঁকে রেলমন্ত্রকের পূর্ণমন্ত্রী করা হবে.
মমতার মন্ত্রিসভায় তৃণমূলের ৩৬ জন
বামফ্রন্টকে ক্ষমতা থেকে হটানোর কাজ শেষ. শুক্রবার শপথগ্রহণ. এ বার শুরু নতুন বাংলা গড়ার লড়াই. তাই মন্ত্রিসভা গঠনে বিশেষ নজর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের. দফতর বণ্টনের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক ও সামাজিক প্রতিনিধিত্বের ভারসাম্য বজায় রাখছেন তিনি.
![]()
শুক্রবার বেলা ১টা ১ মিনিটে রাজভবনে শপথ নেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন মন্ত্রিসভা. মন্ত্রিসভায় তৃণমূলের ৩৬জন থাকছেন. উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ, জঙ্গলমহল, মন্ত্রিসভায় যাতে সবার সমান প্রতিনিধিত্ব থাকে তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন ভাবী মুখ্যমন্ত্রী.
মন্ত্রিসভায় যেমন ভৌগোলিক প্রতিনিধিত্বের ভারসাম্য বজায় রাখছেন, তেমনই সংখ্যালঘু, তফশিলি জাতি-উপজাতিদের প্রতিনিধি রাখার ওপরও জোর দিচ্ছেন মমতা. মন্ত্রিসভায় থাকছেন পাঁচ জন সংখ্যালঘু প্রতিনিধিও. মমতার মন্ত্রিসভায় থাকছেন অমিত মিত্র, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সী. এছাড়াও দমদম থেকে বিজয়ী তৃণমূল বিধায়ক ব্রাত্য বসু, গাইঘাটা থেকে জয়ী মতুয়া মহাসঙ্ঘের প্রধান উপদেষ্টা বীণাপানি দেবীর ছোট ছেলে মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুর, বাগদা থেকে জয়ী উপেন বিশ্বাসও মন্ত্রী হতে চলেছেন. কোচবিহার থেকে জায়গা পাচ্ছেন হিতেন বর্মন.
![]()
দার্জিলিং জেলা থেকে মন্ত্রিসভায় আসছেন ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি কেন্দ্রের বিধায়ক গৌতম দেব. উত্তর দিনাজপুর থেকে মন্ত্রিসভায় জায়গা পাচ্ছেন করিম চৌধুরি. মালদা থেকে সাবিত্রী মিত্র মন্ত্রী হচ্ছেন. জঙ্গলমহল থেকে শান্তি মাহাতো ও সুকুমার হাঁসদাকে নিজের মন্ত্রিসভায় জায়গা দিচ্ছেন মমতা. এছাড়াও নূরে আলম চৌধুরি, হায়দার আজিজ সফি, জাভেদ খান, ববি হাকিমও মন্ত্রী হচ্ছেন. সিঙ্গুরের তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য ও যাদবপুরে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে হারানো মণীশ গুপ্তও নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা পাচ্ছেন. মন্ত্রী হচ্ছেন আসানসোলের বিধায়ক মলয় ঘটক এবং বর্ধমান দক্ষিণে নিরুপম সেনকে হারানো রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়. মন্ত্রিসভায় হচ্ছেন মানিকতলার বিধায়ক সাধন পাণ্ডে, মুর্শিদাবাদের সুব্রত সাহা ও ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল.
মমতার মন্ত্রিসভায় জায়গা পাচ্ছেন কংগ্রেসের ৭ বিধায়ক. এর মধ্যে ২ জনকে পূর্ণমন্ত্রী ও পাঁচ জনকে প্রতিমন্ত্রী করা হচ্ছে.
শুক্রবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে চলেছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ও বিমান বসু. বৃহস্পতিবার সিপিএম রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়. বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে বাড়ি গিয়ে আমন্ত্রণ জানান পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷ আমন্ত্রণ জানানো হয়ে বাম শরিক দলের নেতাদেরও.
পরিবর্তনের জেরে প্রত্যাবর্তন. রাজ্য রাজনীতিতে শাসক-বিরোধীদের মধ্যে ফের সৌজন্যের পুরোনো বাতাবরণ ফেরার জোরালো ইঙ্গিত. সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিনন্দন জানিয়ে চিঠি এবং তার পরিবর্তে সোমনাথবাবুর বাড়িতে গিয়ে ভাবী মুখ্যমন্ত্রীর দেখা করার মধ্যে দিয়ে রাজনীতির পুরনো সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ শুরু হয়েছিল. বৃহস্পতিবার আরও একধাপ এগিয়ে সৌজন্যের বিরল নজির গড়ে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের বাড়িতে পাঠান মমতা. শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানাতে. বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি থেকে বেরিয়ে পার্থবাবু জানান, বুদ্ধবাবুর বাড়িতে বেশ কিছুক্ষণ ছিলেন তিনি. শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য সস্ত্রীক বুদ্ধদেব ভট্টচার্যকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন.
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাতে বামফ্রন্টের শরিক নেতাদের পার্টি অফিসেও যান তৃণমূল নেতারা. এদিন ফরওয়ার্ড ব্লক অফিসে গিয়ে বর্ষীয়ান বাম নেতা অশোক ঘোষকে আমন্ত্রণ জানান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মুকুল রায়. সিপিআইয়ের রাজ্য সম্পাদক মঞ্জুকুমার মজুমদার ও আরএসপির ক্ষিতি গোস্বামীকেও শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানান তিনি৷
‘আমরা-ওরার’ বিভেদ ঘুচিয়ে সৌজন্যের রাজনীতির বাতাবরণ ফেরানোর যে উদ্যোগ সকালে শুরু করেছিলেন, সেই বৃত্ত সম্পূর্ণ হয় রাতে. আবেদনে সাড়া দিয়ে সিপিএম সিদ্ধান্ত নেয় রাজভবনে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, বিমান বসু. দলের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকের পর এ কথা জানান সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম. বেশ কয়েকজন প্রাক্তন মন্ত্রীও উপস্থিত থাকবেন বলে জানানো হয়.
রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, সিপিএম নেতৃত্ব বুঝতে পেরেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে নজিরবিহীনভাবে বাম নেতাদের বাড়িতে, পার্টি অফিসে দলীয় নেতাদের পাঠিয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, তাতে সাড়া না দিলে ভুল বার্তা যেতে পারে. তাই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল. জোটসঙ্গী এসইউসির প্রভাস ঘোষকেও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানান মুকুল রায়
এদিকে, রেলমন্ত্রী পদ থেকে বৃহস্পতিবারই ইস্তফা দেন মমতা. কালীঘাটের অফিস থেকে তিনি ফ্যাক্সবার্তা পাঠিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে৷ রাষ্ট্রপতি মমতার পদত্যাগ পত্র গ্রহণ করেছেন বলে জানা গিয়েছে. রেলমন্ত্রকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরসূরি হচ্ছেন মুকুল রায়. আপাতত তিনি রেলমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন. জাহাজ মন্ত্রকের সঙ্গে রেলমন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব সামলাবেন তিনি. প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফর থেকে ফিরলে, তাঁকে রেলমন্ত্রকের পূর্ণমন্ত্রী করা হবে.
মমতার মন্ত্রিসভায় তৃণমূলের ৩৬ জন
বামফ্রন্টকে ক্ষমতা থেকে হটানোর কাজ শেষ. শুক্রবার শপথগ্রহণ. এ বার শুরু নতুন বাংলা গড়ার লড়াই. তাই মন্ত্রিসভা গঠনে বিশেষ নজর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের. দফতর বণ্টনের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক ও সামাজিক প্রতিনিধিত্বের ভারসাম্য বজায় রাখছেন তিনি.
শুক্রবার বেলা ১টা ১ মিনিটে রাজভবনে শপথ নেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন মন্ত্রিসভা. মন্ত্রিসভায় তৃণমূলের ৩৬জন থাকছেন. উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ, জঙ্গলমহল, মন্ত্রিসভায় যাতে সবার সমান প্রতিনিধিত্ব থাকে তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন ভাবী মুখ্যমন্ত্রী.
মন্ত্রিসভায় যেমন ভৌগোলিক প্রতিনিধিত্বের ভারসাম্য বজায় রাখছেন, তেমনই সংখ্যালঘু, তফশিলি জাতি-উপজাতিদের প্রতিনিধি রাখার ওপরও জোর দিচ্ছেন মমতা. মন্ত্রিসভায় থাকছেন পাঁচ জন সংখ্যালঘু প্রতিনিধিও. মমতার মন্ত্রিসভায় থাকছেন অমিত মিত্র, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সী. এছাড়াও দমদম থেকে বিজয়ী তৃণমূল বিধায়ক ব্রাত্য বসু, গাইঘাটা থেকে জয়ী মতুয়া মহাসঙ্ঘের প্রধান উপদেষ্টা বীণাপানি দেবীর ছোট ছেলে মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুর, বাগদা থেকে জয়ী উপেন বিশ্বাসও মন্ত্রী হতে চলেছেন. কোচবিহার থেকে জায়গা পাচ্ছেন হিতেন বর্মন.
দার্জিলিং জেলা থেকে মন্ত্রিসভায় আসছেন ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি কেন্দ্রের বিধায়ক গৌতম দেব. উত্তর দিনাজপুর থেকে মন্ত্রিসভায় জায়গা পাচ্ছেন করিম চৌধুরি. মালদা থেকে সাবিত্রী মিত্র মন্ত্রী হচ্ছেন. জঙ্গলমহল থেকে শান্তি মাহাতো ও সুকুমার হাঁসদাকে নিজের মন্ত্রিসভায় জায়গা দিচ্ছেন মমতা. এছাড়াও নূরে আলম চৌধুরি, হায়দার আজিজ সফি, জাভেদ খান, ববি হাকিমও মন্ত্রী হচ্ছেন. সিঙ্গুরের তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য ও যাদবপুরে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে হারানো মণীশ গুপ্তও নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা পাচ্ছেন. মন্ত্রী হচ্ছেন আসানসোলের বিধায়ক মলয় ঘটক এবং বর্ধমান দক্ষিণে নিরুপম সেনকে হারানো রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়. মন্ত্রিসভায় হচ্ছেন মানিকতলার বিধায়ক সাধন পাণ্ডে, মুর্শিদাবাদের সুব্রত সাহা ও ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল.
মমতার মন্ত্রিসভায় জায়গা পাচ্ছেন কংগ্রেসের ৭ বিধায়ক. এর মধ্যে ২ জনকে পূর্ণমন্ত্রী ও পাঁচ জনকে প্রতিমন্ত্রী করা হচ্ছে.
অস্ত্র উদ্ধার অব্যাহত
রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সিপিএম নেতাদের বাড়ি ও সিপিএমের কার্যালয় থেকে অস্ত্র উদ্ধার অব্যাহত বৃহস্পতিবারও.গ্রেফতার দুই সিপিএম সমর্থক. পলাতক এক সিপিএম নেতা. অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় দুই তৃণমূল সমর্থক-সহ আহত তিন.
![]()
গোঘাট
হুগলির গোঘাটের বিরামপুরে স্থানীয় সিপিএম নেতা জাকির আলির বাড়ি থেকে উদ্ধার হল অস্ত্র. বুধবার গ্রামবাসীরাই প্রথমে এই খবর জানতে পারে এবং পুলিশকে জানায়. তবে পুলিশ আসার খবর পেয়েই গ্রামবাসীদের ভয় দেখাতে শূন্যে গুলি ছুড়ে পালানোর চেষ্টা করে জাকির আলি. গ্রামবাসীরা তাকে ধরার চেষ্টা করলে ধস্তাধস্তিতে এক গ্রামবাসী আহত হন. তাঁকে আরামবাগ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে. আজ ভোর রাতে পুলিশ জাকির আলির বাড়িতে হানা দিয়ে তিনটি বোমা, একটি পিস্তল উদ্ধার করে. ভোর রাতে জাকির আলি লুকিয়ে ফের নিজের বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করে. গ্রামবাসীরা তাকে দেখতে পেয়ে বাড়ি ঘিরে ফেলে. মরিয়া হয়ে তাদের লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে জাকির. তাতে আহত হন দুই গ্রামবাসী.জানা গিয়েছে, আহত দু’জনই তৃণমূল সমর্থক. জাকির আলি পলাতক. তার সন্ধান চলছে.
শালবনি
পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির চার নম্বর অঞ্চলে ধানশোলা হাইস্কুলের সামনেও একটি বস্তা থেকে 5টি বন্দুক ও 35 রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করে গ্রামবাসীরা. গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ওই এলাকায় সিপিএমের বেশ কয়েকটি সশস্ত্র শিবির ছিল. ভোটের ফল ঘোষিত হওয়ার পর ওই শিবিরের লোকেরাই অস্ত্র ফেলে পালিয়েছে বলে গ্রামবাসীদের ধারণা. পুলিশ ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দিয়েছে.
বাঁকুড়া
বাঁকুড়ার জয়পুর থেকেও উদ্ধার হল অস্ত্র. পুলিশ নির্ভরযোগ্য সূত্রে খবর পেয়েছিল, শালতোড়া গ্রামে এক সিপিএম সমর্থকের নির্মীয়মাণ বাড়িতে মাটির নীচে অস্ত্র লুকনো রয়েছে. বৃহস্পতিবার সকালেই জয়পুর থানার পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী ওই সিপিএম সমর্থকের বাড়ি ঘিরে ফেলে. বাড়ির ভিতরে বালি খুঁড়ে উদ্ধার হয় 2টি রাইফেল, 2টি ওয়ান শটার ও 13 রাউন্ড কার্তুজ. প্রসঙ্গত গত মঙ্গলবারও শালতোড়ায় সিপিএমের কার্যালয় থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়. পুলিশের সন্দেহ, ওই এলাকায় আরও আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে. পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী শালতোড়ায় অপেক্ষা করছে৷ খবর এলেই ফের অভিযান চালানো হবে.
গোয়ালতোড়
গোয়ালতোড়ের কেশিয়া গ্রামের একটি মাঠ থেকে বৃহস্পতিবার সকালে 10টি মাস্কেট, 2টি রাইফেল, 6টি পিস্তল, একটি নাইন এমএম পিস্তল এবং 100 রাউন্ড কার্তুজ দেখতে পায় গ্রামবাসীরা. খবর দেওয়া হয় পুলিশকে. পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে অস্ত্রগুলি উদ্ধার করে.
গোঘাট
হুগলির গোঘাটের বিরামপুরে স্থানীয় সিপিএম নেতা জাকির আলির বাড়ি থেকে উদ্ধার হল অস্ত্র. বুধবার গ্রামবাসীরাই প্রথমে এই খবর জানতে পারে এবং পুলিশকে জানায়. তবে পুলিশ আসার খবর পেয়েই গ্রামবাসীদের ভয় দেখাতে শূন্যে গুলি ছুড়ে পালানোর চেষ্টা করে জাকির আলি. গ্রামবাসীরা তাকে ধরার চেষ্টা করলে ধস্তাধস্তিতে এক গ্রামবাসী আহত হন. তাঁকে আরামবাগ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে. আজ ভোর রাতে পুলিশ জাকির আলির বাড়িতে হানা দিয়ে তিনটি বোমা, একটি পিস্তল উদ্ধার করে. ভোর রাতে জাকির আলি লুকিয়ে ফের নিজের বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করে. গ্রামবাসীরা তাকে দেখতে পেয়ে বাড়ি ঘিরে ফেলে. মরিয়া হয়ে তাদের লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে জাকির. তাতে আহত হন দুই গ্রামবাসী.জানা গিয়েছে, আহত দু’জনই তৃণমূল সমর্থক. জাকির আলি পলাতক. তার সন্ধান চলছে.
শালবনি
পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির চার নম্বর অঞ্চলে ধানশোলা হাইস্কুলের সামনেও একটি বস্তা থেকে 5টি বন্দুক ও 35 রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করে গ্রামবাসীরা. গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ওই এলাকায় সিপিএমের বেশ কয়েকটি সশস্ত্র শিবির ছিল. ভোটের ফল ঘোষিত হওয়ার পর ওই শিবিরের লোকেরাই অস্ত্র ফেলে পালিয়েছে বলে গ্রামবাসীদের ধারণা. পুলিশ ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দিয়েছে.
বাঁকুড়া
বাঁকুড়ার জয়পুর থেকেও উদ্ধার হল অস্ত্র. পুলিশ নির্ভরযোগ্য সূত্রে খবর পেয়েছিল, শালতোড়া গ্রামে এক সিপিএম সমর্থকের নির্মীয়মাণ বাড়িতে মাটির নীচে অস্ত্র লুকনো রয়েছে. বৃহস্পতিবার সকালেই জয়পুর থানার পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী ওই সিপিএম সমর্থকের বাড়ি ঘিরে ফেলে. বাড়ির ভিতরে বালি খুঁড়ে উদ্ধার হয় 2টি রাইফেল, 2টি ওয়ান শটার ও 13 রাউন্ড কার্তুজ. প্রসঙ্গত গত মঙ্গলবারও শালতোড়ায় সিপিএমের কার্যালয় থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়. পুলিশের সন্দেহ, ওই এলাকায় আরও আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে. পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী শালতোড়ায় অপেক্ষা করছে৷ খবর এলেই ফের অভিযান চালানো হবে.
গোয়ালতোড়
গোয়ালতোড়ের কেশিয়া গ্রামের একটি মাঠ থেকে বৃহস্পতিবার সকালে 10টি মাস্কেট, 2টি রাইফেল, 6টি পিস্তল, একটি নাইন এমএম পিস্তল এবং 100 রাউন্ড কার্তুজ দেখতে পায় গ্রামবাসীরা. খবর দেওয়া হয় পুলিশকে. পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে অস্ত্রগুলি উদ্ধার করে.
আবার উত্তেজণা পাহাড়ে
ভোট মিটতে না মিটতেই ফের উত্তপ্ত পাহাড়। জিএনএলএফের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত এক মোর্চা সমর্থকের মৃত্যু হওয়ায়, বৃহস্পতিবার চব্বিশ ঘণ্টার পাহাড় বন্ধ ডাকল মোর্চা। দার্জিলিঙের সোনাদা ও কার্শিয়াংয়ে জিএনএলএফ সমর্থকদের বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে মোর্চার বিরুদ্ধে।১৫ মে দার্জিলিঙের সোনাদায় রিংটং চা-বাগানে মোর্চা ও জিএনএলএফ সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনায় আহত হন দু’পক্ষের বেশ কয়েকজন।ঘটনায় গুরুতর আহত মোর্চা সমর্থক রবীন রাই বুধবার শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান। সংঘর্ষে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে বৃহস্পতিবার ২৪ ঘণ্টার পাহাড় বন্ধ ডাকল মোর্চা. বাতিল করা হয়েছে পাহাড়ের তিন কেন্দ্রে জয়ী মোর্চা প্রার্থীদের নিয়ে বিজয় মিছিল. যদিও ১৫ মে সন্ধেতেই রিংটং চা-বাগানে মোর্চা-জিএনএলএফ সংঘর্ষে জড়িত সন্দেহে পুলিশ চার জনকে গ্রেফতার করে।
এদিকে রবীন রাইয়ের মৃত্যুর পর থেকে বুধবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পাহাড়. মোর্চা সমর্থকরা দোকানপাঠ বন্ধ করে দেয় বলে অভিযোগ. সোনাদা রেল স্টেশনের সামনে ও রিংটং চা-বাগানে জিএনএলএফ সমর্থকদের বাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে. পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় নেমেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ. উল্লেখ্য, মোর্চার হুমকির মুখে ফের পাহাড় ছাড়া হতে হয়েছে জিএনএলএফ প্রধান সুবাস ঘিসিংকে. সমতলে নেমে তিনি অভিযোগ করেন যে,পাহাড়ে আইনের শাসন নেই. চলছে অরাজকতা. তাঁর অভিযোগ, মোর্চার হুমকির জেরেই পাহাড় ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন তিনি. মঙ্গলবার শিলিগুড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করে, পাহাড়ে আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ার অভিযোগ করেন ঘিসিং।
নির্বাচন শেষ হতেই শুরু চারিদিকে অস্ত্র উদ্ধার, উদ্বিগ্ন রাজ্যবাসী
রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পালানিয়াপ্পন চিদম্বরম. . মঙ্গলবার আগরতলায় তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে যে ভাবে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটছে, তা উদ্বেগজনক. সংঘর্ষ বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিনি রাজ্যপাল এম কে নারায়ণনকে অনুরোধ করেছেন. কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, গোটা বিষয়টি নিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সঙ্গে কথা বলেছেন. সব দলকে শান্তি বজায় রাখার জন্য আবেদন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুরের বিভিন্ন এলাকায় সিপিএম নেতা-কর্মীদের বাড়িতে মিলছে একের পর এক অস্ত্রভাণ্ডারের হদিশ. শালবনি, কেশপুর, আনন্দপুরে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর বন্দুক, গুলি, বোমা. ৩ সিপিএম সমর্থক সহ ধৃত ৪. তবে জঙ্গলমহল লাগোয়া পশ্চিম মেদিনীপুরই শুধু নয়, অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে বাঁকুড়া ও হুগলির বিভিন্ন এলাকা থেকেও। বাঁকুড়ার শালতোড়া গ্রামে সিপিএমের শাখা অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে অস্ত্র. কোতুলপুরে অস্ত্র উদ্ধার চলাকালীন পুলিশ লাঠিচার্জ করে। ১৪৪ ধারা ভাঙার অপরাধে আটক করা হয়েছে ৫১ জনকে।
শালবনি ;মঙ্গলবার সকালে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি ২ নম্বর ওয়ার্ডে বিষ্ণুপুরের যাত্রাগ্রামে সিপিএম নেতা বাপি রক্ষিতের বাড়িতে তল্লশি চালান গ্রামবাসীরা. উদ্ধার হয় ৪টি একলনা বন্দুক. বাড়িটি ঘিরে রেখে উত্তেজিত জনতা খবর দেয় পুলিশে. পরে পুলিস এসে অস্ত্র গুলি উদ্ধার করে. ঘটনায় পর থেকে সিপিএম নেতা পলাতক। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বাপি রক্ষিতের বাড়ির আশেপাশের এলাকায় আরও অস্ত্র লুকোনো আছে।
শালবনির বিষ্ণুপুরেও এক সিপিএম নেতা বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে অস্ত্র. শালবনি থানার মণ্ডলকুপি ও দেউলকুণ্ডা গ্রামে ৩ সিপিএম সমর্থকের বাড়ি থেকে গ্রামবাসীরা ৪টি পাইপগান, ৫টি একনলা বন্দুক, ৩টি পিস্তল ও ৮৬ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করে পুলিশের হাতে তুলে দেন৷ গ্রেফতার হয় ৩ সিপিএম সমর্থক.
গোয়ালতোড় ;
অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে গোয়ালতোড়েও. সেখানকার কোশিয়ায় সিপিএমের শাখা অফিস থেকে ১০টি এক নলা বন্দুক ও ৫০০ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে.
কেশপুর;মঙ্গলবার সকালে কেশপুর থানার অমরচক ও সরিষাখোলা গ্রামে কেশপুর থানার পুলিশ ও বিএসএফ জওনায় যৌথভাবে তল্লশি চালায়. তল্লশিতে এক সিপিএম নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ২টি বন্দুক.
আনন্দপুর;পশ্চিম মেদিনীপুরেরই আনন্দপুর থানার খেতুয়ায় অকুলসাড়া ও বোহারা গ্রামের দুই প্রভাবশালী সিপিএম নেতার বাড়ি থেকে মঙ্গলবার ফের উদ্ধার হয়েছে প্রচুর পরিমাণ অস্ত্র. সকাল থেকে গ্রামবাসীরা অভিযান চালিয়ে কৃষ্ণপদ রায় ও নব আড়ি নামে দুই সিপিএম নেতার বাড়ি থেকে ৯টি রাইফেল, ২৫০টি ছররা বুলেট, ১০০টি .৩১৫ কার্তুজ এবং ৫০টি থ্রি নট থ্রি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে. সোমবার রাতেও খেতুয়ায় সিপিএম পার্টি অফিস থেকে ৩টি রাইফেল, দু’হাজার কার্তুজ ও ২৫টি টাঙ্গি উদ্ধার হয়েছিল. স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সিপিএম নেতারা আরও অনেক জায়গায় অস্ত্র ভাণ্ডার তৈরি করে রেখেছে. আনন্দপুরে এক সিপিএম সমর্থকদের বাড়িতে তল্লশি চালিয়ে আটটি বন্দুক, ২ হাজার রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে. সিপিএমের পার্টি অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে ৩টি বন্দুক।
সংখ্যাগরিষ্ঠ ইয়েদুরাপ্পা: ভরদ্বাজ
কর্নাটকের রাজনৈতিক বিতর্কে নয়া মোড়.পিছু হঠলেন কর্নাটকের রাজ্যপাল এইচ আর ভরদ্বাজ.রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ করেও ভোলবদলে বুধবার কর্নাটক বিধানসভায় বিজেপি সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতার কথা স্বীকার করে নিলেন ভরদ্বাজ. একটি সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পার সঙ্গে একই মঞ্চ উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল.গত এক সপ্তাহ দুজনের মধ্যে তীব্র টানাপোড়েনের পর প্রথমবার রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী একমঞ্চে হাজির হলেন. ভরদ্বাজ বললেন,ইয়েদুরাপ্পার সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে.তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর মতবিরোধের বিষয়টিও হাল্কা করে দেখাতে চেয়েছেন.বিজেপি তাঁর অপসারনের জোরাল দাবিও তুলেছে.এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন,একমাত্র রাষ্ট্রপতিই এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন.![]()
উল্লেখ্য,সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক রায়ের পর রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্য সরকারের বিরোধ তীব্র হয়.রাজ্যপাল কর্নাটকে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সুপারিশ করেন.মঙ্গলবার ১২৪ জন বিধায়ককে রাষ্ট্রপতি ভবনে নিয়ে গিয়ে নিজের শক্তি প্রদর্শন করেন ইয়েদুরাপ্পা.রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাটিলের কাছে ভরদ্বাজের অপসারনের দাবি জানান তিনি.এদিন দিল্লি থেকে ফিরে বেঙ্গালুরুতে সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী.এই অনুষ্ঠানে হাজির থেকে ভরদ্বাজ বলেছেন যে,’মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের নির্বাচিত প্রতিনিধি. তাঁর বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে.এক্ষেত্রে কারও সন্দেহ নেই এবং আমরা দুজনে বন্ধু.এই রাজনৈতিক উত্তেজনা অপ্রাসঙ্গিক.আমাদের সংবিধান এবং আইনের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে হবে.’ ভরদ্বাজ অবশ্য আরও বলেছেন, যা কিছু তিনি করেছেন তা সংবিধান মেনেই করেছেন.এদিনের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যপাল উভয়কেই স্বাভাবিক ছিলেন,একে অপরের সঙ্গে বারবারই কথা বলতে দেখা গিয়েছে তাঁদের।
রেজ্জাক জানিয়েছেন, তিনি উত্তেজনাবশতই ওই কথা বলে ফেলেছেন।- বিমান বসুউল্লেখ্য,সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক রায়ের পর রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্য সরকারের বিরোধ তীব্র হয়.রাজ্যপাল কর্নাটকে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সুপারিশ করেন.মঙ্গলবার ১২৪ জন বিধায়ককে রাষ্ট্রপতি ভবনে নিয়ে গিয়ে নিজের শক্তি প্রদর্শন করেন ইয়েদুরাপ্পা.রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাটিলের কাছে ভরদ্বাজের অপসারনের দাবি জানান তিনি.এদিন দিল্লি থেকে ফিরে বেঙ্গালুরুতে সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী.এই অনুষ্ঠানে হাজির থেকে ভরদ্বাজ বলেছেন যে,’মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের নির্বাচিত প্রতিনিধি. তাঁর বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে.এক্ষেত্রে কারও সন্দেহ নেই এবং আমরা দুজনে বন্ধু.এই রাজনৈতিক উত্তেজনা অপ্রাসঙ্গিক.আমাদের সংবিধান এবং আইনের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে হবে.’ ভরদ্বাজ অবশ্য আরও বলেছেন, যা কিছু তিনি করেছেন তা সংবিধান মেনেই করেছেন.এদিনের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যপাল উভয়কেই স্বাভাবিক ছিলেন,একে অপরের সঙ্গে বারবারই কথা বলতে দেখা গিয়েছে তাঁদের।
ভোটের ফল প্রকাশের দিনই নির্বাচনী বিপর্যয়ের জন্য বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ও নিরুপম সেনের সমালোচনা করায় প্রাক্তন ভূমি ও ভূমি রাজস্বমন্ত্রী তথা সিপিএম রাজ্য কমিটির সদস্য আব্দুর রেজ্জাক মোল্লার প্রকাশ্য নিন্দা করবে দল. সিপিএম রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে. মঙ্গলবার রাজ্য কমিটির সদস্যদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বিমান বসু.
গত ১৩ মে বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর রেজ্জাক দল তথা বামফ্রন্টের ব্যাপক ভরাডুবির জন্য মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং শিল্পমন্ত্রী নিরুপম সেনের কড়া সমালোচনা করেন. বাম সরকারের শিল্পনীতিকেই ভোটে বিপর্যয়ের জন্য দায়ী করেন তিনি. পরোক্ষে সিঙ্গুরে টাটা গোষ্ঠীর ন্যানো গাড়ি তৈরির কারখানার জন্য জমি অধিগ্রহণ এবং নন্দীগ্রাম-কাণ্ডের জন্য বুদ্ধদেবকে কাঠগড়ায় তুলে রেজ্জাক বলেন, হেলে ধরতে পারে না, কেউটে ধরতে গেছে. সিপিএমের অন্দরে ঠোঁটকাটা হিসেবে পরিচিত রেজ্জাক সবচেয়ে বেশি সরব হন নিরুপেমর বিরুদ্ধে. নিরুপমের পরাজয় সম্পর্কে তিনি বলেন, ওটা যে হারবে তা পৃথিবীর অর্ধেক লোক জানত. ওটাই তো নাটের গুরু. এর পর রেজ্জাক মোল্লাকে ভর্ত্সনা করে সিপিএম নেতৃত্ব. বিমান বসুর বক্তব্য, রেজ্জাক জানিয়েছেন, তিনি উত্তেজনাবশতই ওই কথা বলে ফেলেছেন. বিমান বসুর বক্তব্য, রেজ্জাক জানিয়েছেন, তিনি উত্তেজনাবশতই ওই কথা বলে ফেলেছেন.
রেজ্জাকের ওই মন্তব্য আদৌ ভালোভাবে নেয়নি সিপিএম. দলের দুই অন্যতম পলিটব্যুরো সদস্যের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তোপ দাগার জন্য রেজ্জাককে ভর্তসনা করেছিল সিপিএম. দল এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি নিয়ে রেজ্জাককে সতর্ক করে দিয়েছিল. সিপিএমের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট সোমবার বলেন, যাঁর যা বক্তব্য, তা দলের মধ্যেই বলা উচিত. দলের নেতাদের সম্পর্কে রেজ্জাকের মন্তব্য প্রসঙ্গে কারাট এও বলেন, কারও নিজস্ব মতামত থাকতেই পারে. কিন্তু দলের মধ্যেই ওই মতামত দেওয়া যায়. দল সব রকম মতামত শুনতে তৈরি.
রেজ্জাকের মন্তব্য ঘিরে বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে দলের কিছু নেতা তাঁকে শাস্তি দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন. কিন্তু এই বিপর্যয়ের মধ্যে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে গেলে দলের বিপদ বাড়বে. এই কারণেই সিপিএম রেজ্জাকের প্রকাশ্য নিন্দা করে পরিস্থিতি সামাল দিতে চাইছে বলে মনে করা হচ্ছে.
প্রোটেম স্পিকার হিসাবে শপথ নিলেন কংগ্রেসের জ্ঞান সিংহ সোহনপাল
প্রোটেম স্পিকার হিসাবে শপথ নিলেন কংগ্রেসের জ্ঞান সিংহ সোহনপাল ।আজ বেলা ১১টা নাগাদ রাজভবনে রাজ্যপাল এমকে নারায়ণন তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করান. সব মিলিয়ে মিনিট পাঁচেকের সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠান হয় রাজভবনে.
প্রোটেম স্পিকার হিসাবে জ্ঞান সিংহ সোহনপাল নব-নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বিধায়ক হিসাবে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন. তাঁর সভাপতিত্বেই স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবে. জ্ঞান সিংহ সোহনপাল রাজ্য বিধানসভার প্রবীণতম বিধায়ক. একমাত্র ৭৭সাল বাদ দিয়ে একটানা আটবারের বিধায়ক তিনি.
প্রথা অনুযায়ী বিধানসভার প্রবীনতম সদস্যই প্রোটেম স্পিকার হয়ে থাকেন.সেই হিসেবে প্রোটেম স্পিকার হিসেবে শপথ নিলেন সোহনপাল.তিনি রাজ্য বিধানসভার নবনির্বাচিত ২৯৪ জন সদস্যকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন.এরপরই হবে বিধানসভার নতুন অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নির্বাচন.
শপথগ্রহণ শুক্রবার ,চলছে প্রস্তুতি
শপথগ্রহণ শুক্রবার, মাঝে বাকি আর মাত্র একটা দিন. মহাকরণ থেকে রাজভবন, ব্যস্ততা তুঙ্গে. মমতা মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান সরাসরি দেখা যাবে জায়ান্ট স্ক্রিনেও. স্ক্রিন বসানোর কাজ ঘিরেও ব্যস্ততা এই মুহূর্তে তুঙ্গে পৌঁচ্ছে গেছে. পাশাপাশি সর্বত্রই বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ও পুলিশি নজরদারি রাখা হচ্ছে.
ভোটপর্ব শেষ, ফলাফল ঘোষণার পালাও. পালাবদল সাঙ্গ, কিন্তু তবুও ছুটি নেই. নেই ব্যস্ততার শেষও. মহাকরণ থেকে রাজভবন, সর্বত্রই সাজ-সাজ রব.
সোমনাথের বাড়িতে মমতা
ফিরে এল সৌজন্যের পরিবেশ. মঙ্গলবার হাওড়ায় রেলের অনুষ্ঠান শেষে বহিষ্কৃত সিপিএম নেতা তথা লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়. রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ প্রাক্তন স্পিকারের বাড়িতে যান ভাবী মুখ্যমন্ত্রী. আমের শরবত দিয়ে তাঁকে আপ্যায়ন করেন প্রাক্তন স্পিকার.
দু’দিন আগেই বিধানসভা ভোটে সাফল্যের জন্য মমতাকে অভিনন্দন জানিয়ে চিঠি দিয়েছিলেন সোমনাথবাবু. সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে ফোন করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী. বলেছিলেন, দিল্লি থেকে ফিরে তিনি সোমনাথবাবুর সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করবেন. সেই মতোই আজ তাঁর কলকাতার বাসভবনে যান মমতা. সঙ্গী হয়েছিলেন মুকুল রায় ও শোভন চট্টোপাধ্যায়. সোমনাথবাবুর বাড়িতে মিনিট ২০ ছিলেন ভাবী মুখ্যমন্ত্রী. সৌজন্য সাক্ষাত শেষে মমতাকে বাড়ির বাইরে এসে ছেড়ে দিয়ে যায় সোমনাথবাবুর গোটা পরিবার. প্রাক্তন স্পিকার পরে বলেন, জনগণের রায় মমতার পক্ষে গিয়েছে. সংসদীয় রাজনীতিতে এই সাফল্যের জন্য আমি তাঁকে শান্তিনিকেতন থেকে চিঠি লিখে অভিনন্দন জানিয়েছিলাম. তার পর তিনি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন.
সোমনাথবাবু আরও বলেন, মমতার উপস্থিতি তাঁকে অভিভূত করেছে. আমি রাজ্যের দায়িত্ব পালনে তাঁর সাফল্য কামনা করেছি. বলেছি, শান্তি-শৃঙ্খলার দিকে নজর দিতে.
|
|
|
|
|
|